৩৮তম বিসিএস: ২২০৪ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

13

সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) ৩৮তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল মঙ্গলবার প্রকাশ করেছে। এতে ২ হাজার ২০৪ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী এখন স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় নির্বাচিত প্রার্থীদের নিয়োগ ও পদায়ন করবে। যদিও নিয়োগের আগে প্রার্থীদের সম্পর্কে গোয়েন্দা সংস্থার খোঁজখবর নেয়ার রীতি আছে। ফলাফল পিএসসির ওয়েবসাইটে (bpsc.gov.bd) পাওয়া যাচ্ছে।

পিএসসি চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক বলেন, করোনা সংক্রমণের বাস্তবতায় দাফতরিক কাজ বিঘ্নিত হয়েছিল। এ ছাড়া জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এই বিসিএসে নিয়োগের নতুন করে ২৪০টি পদের চাহিদা আসে। ফলে ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠায় তৈরি করা ফল নতুন করে করতে হয়েছিল। এসব মিলেই ফল প্রকাশে দেরি হয়।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পিএসসি জানিয়েছে, মঙ্গলবার বিকালে সংস্থার এক বিশেষ সভায় ৩৮তম বিসিএসের ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত হয়। এরপরই ফল প্রকাশ করা হয়। সুপারিশ পাওয়া ক্যাডারের মধ্যে সাধারণ ৬১৩, সহকারী সার্জন ২২০, ডেন্টাল সার্জন ৭১, বিভিন্ন টেকনিক্যাল ক্যাডারে ৫৩২ এবং শিক্ষায় ৭৬৮ জন আছে। এসবের মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ৩০৬ জন, পুলিশ ক্যাডারে ১শ’, পররাষ্ট্রে ২৫ জন, কর ক্যাডারে ৩৫, নিরীক্ষা ও হিসাবে ৪৫, আনসারে ৩৮, কৃষিতে ২৪১, মৎস্যে ২০, পশুসম্পদে ৮৫, বন ক্যাডারে ২২, গণপূর্তে ৯৭ জন আছে।

৩৮তম বিসিএস দুটি কারণে প্রার্থীদের কাছে আকর্ষণীয়। একটি হচ্ছে, এই বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার খাতা দুইজন পরীক্ষক দেখেছেন। প্রাপ্ত নম্বর ২০ শতাংশ পার্থক্য হলে তৃতীয় পরীক্ষকের কাছে গেছে খাতা। এছাড়া এই বিসিএসে কোনো প্রার্থী চাইলে ইংরেজিতে উত্তর লিখতে পেরেছে।

৩৮তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষায় পাস করেছেন মোট ৯ হাজার ৮৬২ জন। লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন ১৪ হাজার ৫৪৬ জন। লিখিত পরীক্ষায় পাস করা প্রার্থীরা মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেন। গত ফেব্রুয়ারিতে মৌখিক পরীক্ষা শেষ হয়। চূড়ান্ত ফল তৈরিকালে ২৪০ জনের নতুন চাহিদা পাঠায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এর আগে আরেক দফা ১৩৬টি পদের চাহিদাও পাঠিয়েছিল। অপরদিকে বিজ্ঞপ্তিকালে ২ হাজার ২৪ জন ক্যাডার কর্মকর্তা নিয়োগ করার কথা ছিল। ফলে দু’দফায় বর্ধিতসহ মোট পদের সংখ্যা হয় ২ হাজার ৪০০। সেই হিসাবে যোগ্য প্রার্থী না পাওয়ায় ১৯৬ পদে কাউকে সুপারিশ করা যায়নি।